পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, “সরকার পার্বত্য অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষা (কোয়ালিটি এডুকেশন) ও জীবিকায়ন উন্নয়ন (লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।”
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে আয়োজিত ‘কঠিন চীবর দান–২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডিজিটালাইজড করা হবে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ডিজিটাল কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টকে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হিসেবে উল্লেখ করে সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, “স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন অপরিহার্য। এখনো মানসম্মত স্কিম গ্রহণ করা হয়নি; তাই বাস্তবসম্মত ও জীবিকাভিত্তিক স্কিম প্রণয়ন করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্টে মোট বরাদ্দের ৪০ শতাংশ ব্যয় করা হবে। প্রকল্পের অর্থ যেন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।” উপদেষ্টা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের জন্য বরাদ্দকৃত ৫৩০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভান্তে প্রজ্ঞানন্দ মহাথের, বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ভিক্ষু এবং সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

২৩.১৬°সে