মামলার জটে আটকে আছে পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগ; ১৮০ দিনের মধ্যে শিক্ষা উন্নয়নের উদ্যোগ শুরুর আশাবাদ
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে কাজ চলছে। তবে চলমান মামলার জটিলতা এ প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিচ্ছে।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক হাইকোর্টে আটকে থাকা মামলার কারণে পদোন্নতি পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে নতুন করে প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও স্থগিত রয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট প্রায় ১৩ হাজার মামলা আদালতে বিচারাধীন। এসব মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক অনেক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে।
তবে শিক্ষা খাতে গতি আনতে সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। “আমরা চাই শুরুতেই কাজের গতি বেশি থাকুক এবং পরিসর বড় হোক। শুরুটা ভালো হলে পরবর্তীতে চাপ কমে আসবে,”—বলেন মন্ত্রী।
শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমানভাবে শুরু হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষায়, “এই সময়সীমার মধ্যেই উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়ে যাবে, যা হবে আমাদের প্রথম ধাপ।”
এছাড়া কওমি মাদ্রাসার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান মন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “এত বড় মন্ত্রণালয়ে অনেক কাজ একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হয়। সবকিছুর ফল একদিনে পাওয়া সম্ভব নয়, তবে আমরা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছি।”

২৩.৩৩°সে