অসচ্ছল, অসুস্থ, আহত ও অসমর্থ ক্রীড়াসেবীদের ক্রীড়া ভাতা, প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি এবং চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা বাবদ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৮ কোটি ৪১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা বিতরণ করেছে জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
সোমবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সহায়তা ও বৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল হক। সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া সচিব ও ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. মাহবুব-উল-আলম।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় রাজস্ব বাজেট থেকে ১ হাজার ৭৯৭ জন ক্রীড়াসেবীকে ক্রীড়া ভাতা হিসেবে ৫ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া সিডমানির লভ্যাংশ থেকে অসচ্ছল ও অসুস্থ ৪২ জন ক্রীড়াসেবীকে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা হিসেবে ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা সরাসরি BEFTN পদ্ধতিতে প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে, দেশের প্রতিভাবান ও উদীয়মান ১ হাজার ৪২৩ জন ক্রীড়া শিক্ষার্থীকে ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তি হিসেবে মোট ২ কোটি ৭০ লাখ ২৪ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দেশের সকল জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তারা। এ সময় প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, প্রকৃত প্রাপকদের কাছে ক্রীড়া ভাতার সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। যারা দীর্ঘদিন খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেও বর্তমানে অসচ্ছল অবস্থায় রয়েছেন, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, আগামী বছরগুলোতে এ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সাবেক খেলোয়াড়দের কল্যাণে নতুন পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের সহযোগিতায় অসচ্ছল সাবেক খেলোয়াড়দের একটি নির্ভুল তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সেই তালিকার ভিত্তিতে যোগ্য ক্রীড়াসেবীদের স্থায়ীভাবে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হবে। এ লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে এবং বিদ্যমান নীতিমালায় যুগোপযোগী পরিবর্তন এনে ফাউন্ডেশনের কল্যাণমূলক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে।

২৩.৩৩°সে