বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় দ্রুত পরিবর্তন আসছে, আর সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence – AI)। বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে এআই-ভিত্তিক বিষয় যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের কর্মবাজারের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।
শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই শুধু প্রযুক্তি শিক্ষায় নয়, বরং গণিত, বিজ্ঞান, ভাষা শিক্ষা এমনকি মূল্যায়ন ব্যবস্থাতেও বড় ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। অনেক দেশে পরীক্ষামূলকভাবে এআই-সহায়ক টুল দিয়ে পড়াশোনা ও অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “শিক্ষায় AI অন্তর্ভুক্ত হলে শিক্ষার্থীরা সমস্যা সমাধান, সৃজনশীল চিন্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতায় এগিয়ে যাবে।”
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। সঠিক পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ডিজিটাল শিক্ষার মান আরও উন্নত করা সম্ভব বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। তবে একই সঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নৈতিক ব্যবহার এবং তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোর দিচ্ছেন তারা।
কয়েক দিন আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি প্রযুক্তি মেলায় বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর দিকে নজর দিতে বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ব যে গতিতে প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেই গতিতে পিছিয়ে যাচ্ছে’।

২৩.১৬°সে