আস্ট্রেলিয়া সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সুরক্ষা ও সততা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন একটি শিক্ষা নীতি ঘোষণা করেছে। নতুন নীতিতে দেশের ভিতর থেকে (onshore) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বদলাতে গেলে শিক্ষা এজেন্টদের কমিশন দেওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ৩১ মার্চ ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
কী পরিবর্তন আসছে?
🔹 এখন থেকে কোনও বিদেশি (international) শিক্ষার্থী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শুরু করার পর অন্য প্রতিষ্ঠানে যাওয়া হলেও,
👉 তার প্রশিক্ষণ বা ভর্তি সুবিধা এনে দেয়ায় এজেন্টদের কমিশন দেওয়া যাবে না।
এমন অর্থ দেয়া বা পাওয়া উভয়ই নিষিদ্ধ হবে।
🔹 নতুন নীতি শুধু onshore ট্রান্সফার-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; যেখানে শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যেই অস্ট্রেলিয়ায় থাকে এবং অন্য ইনস্টিটিউটে যায়।
🔹 তবে যদি শিক্ষার্থী নিজের মূল কোর্স সম্পন্ন করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, তখন কিছু ক্ষেত্রে কমিশন দেওয়া যায় — যেমন কোর্স পার্ট অফ প্যাকেজ বা একই ভিসা CoE-তে ট্রান্সফার।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
অস্ট্রেলিয়া সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো:
🔸 কিছু এজেন্ট বা প্রতিষ্ঠান অপ্রয়োজনীয়ভাবে বা শুধুমাত্র লাভের জন্য শিক্ষার্থীকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় টেনে নিয়ে যাওয়া বন্ধ করা।
🔸 এর ফলে শিক্ষার্থী নিজের শিক্ষা ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
🔸 শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সততা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা গন্তব্য হিসেবে আরো বিশ্বাসযোগ্য হবে।
সরকারি নীতি অনুযায়ী, নতুন নিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে পরিবর্তনে মানিয়ে নেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছে, যাতে ৩১ মার্চের পূর্বে যেসব ছাত্রকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পুরোনো নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে।
শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিক্রিয়া
বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা এনজিএগুলো বলছে, এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা বা “poaching” রোধে সাহায্য করবে, এবং তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক প্রভাব কমিয়ে দেবে। শিক্ষার্থীর কল্যাণে এটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
সূত্র: The Economic Times

২৩.১৬°সে