খসড়া শিক্ষা আইনে সরকারি আদেশ অমান্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান
রাষ্ট্র, নৈতিকতা ও আইনের পরিপন্থী কোনো কার্যক্রমে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত থাকলে সরকারের বিশেষ ক্ষমতাবলে সেই প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা যাবে। একই সঙ্গে সরকারের কোনো বৈধ আদেশ পালনে অস্বীকৃতি জানালে বা তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ, পাঠদানের অনুমতি, অধিভুক্তি, স্থাপনের অনুমতি, পরিচালনা সনদ এবং একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা পাবে সরকার।
সদ্য প্রকাশিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের খসড়া শিক্ষা আইনে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইনের একাদশ অধ্যায়ের (বিবিধ) ৩৭ নম্বর ধারায় এসব ক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া খসড়া আইনে আরও বলা হয়েছে, কোনো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা পরিচালনা কমিটির (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা ব্যর্থতার কারণে যদি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় বলে সরকার মনে করে, তবে সরকার নতুন প্রতিষ্ঠানপ্রধান, নতুন পরিচালনা কমিটি অথবা উভয়ই নিয়োগ দিতে পারবে।
শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই খসড়া আইনে এসব বিধান সংযোজন করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৩.১৬°সে